Friday, May 29, 2015
ক্ষমতাসীনরা ধর্ষকদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে : সাকী
ক্ষমতাসীনরা ধর্ষকদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে : সাকী
গণসংহতির প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ধর্ষণ শুধু গায়ের জোরে হয় না। এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা।
আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) আয়োজিত রাজধানীতে গারো আদিবাসী তরুণীর ধর্ষকদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সাকি বলেন, যেভাবে নারীর ওপর নিপীড়ন হচ্ছে, তা প্রতিরোধ করতে হলে সংগঠিতভাবে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমাদের রাজপথে নামতে হবে। যাদের হাতে রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক ক্ষমতা তারাই ধর্ষকদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।
সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর আমাদের সরকার আর জনগণের ওপর নির্ভর থাকে না। তারা আইনশৃঙ্খলা ও মাস্তান বাহিনী নির্ভর হয়ে পড়ে।
সাকি বলেন, আর নির্ভরতার দিক দিয়ে বর্তমান সরকার এতটাই খোলামেলা যে, তাদের পুলিশ বাহিনী সরাসরি বলে আমাদের উপর ভর করে সরকার টিকে আছে। এটাই হলো স্বৈরতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদ।
সাকি বলেন, আজ যে নারী ধর্ষিত হচ্ছে, তাকে সমাজের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকতে হচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই- লজ্জা ধর্ষিত নারীর নয়, লজ্জা ধর্ষকদের। ধর্ষকদের পুরো সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে।
গণসমাবেশে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আসম আব্দুর রব বলেন, ধর্ষিতা গারো নয়, সে বাঙ্গালী সন্তান। এক বছরে ১৮ হাজার নারী ধর্ষিত হয়েছে। দেশের পরিস্থিতি আজ এতটাই বিকৃত হয়ে গেছে। এই অবস্থা হবে আগে জানলে মুক্তিযুদ্ধ করতে যেতাম না।’
তিনি বলেন, ‘যারা ধর্ষণ করছে তাদের জন্য ফাসিই যথেষ্ট নয়, তাদেরকে সোহরাওয়ার্দীতে লক্ষ কোটি জনগণের সামনে ফায়ার করে মারা উচিত। মানুষই ধর্ম সৃষ্টি করেছে তাই সবার আগে মানুষই সত্য।’
তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনি আদিবাসীদের প্যাগোডা, ঘর বাড়ি তুলে দিতে পারবেন। কিন্তু একজন নারীর সম্ভ্রম ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।’
গণসমাবেশে লেনার্ড সুবিট রাখার সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যারিষ্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ছাত্র ফেডারেশনের সহসভাপতি আল জাহিদ, বাগাছাসের সাবেক সভাপতি শেরিন আরেং সেং, জাংকা রিছিল প্রমুখ।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment